মুশফিকের সেঞ্চুরিও হার এড়াতে পারেনি নাজমুল একাদশের
মুশফিকের সেঞ্চুরিও হার এড়াতে পারেনি নাজমুল একাদশের

খেলাধুলা ডেস্কঃ বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের তৃতীয় ম্যাচে নিজ দলের ব্যাটসম্যানদের আরেকটি ব্যর্থতার দিনে ঝলমল করলেন মেহেদী হাসান। ৯ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় এই তরুণের ৫৭ বলে ৮২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপও প্রথমবারের মতো দেখল ২০০ পার করা ইনিংস। এতে ভর দিয়েই দেড় শর কমে অলআউট হওয়ার শঙ্কায় থাকা বিপক্ষে তামিম ইকবাল একাদশ ৯ উইকেট হারিয়ে তুলল ২২১ রান।

এই রান তাড়ায় নাজমুল হোসেন শান্ত একাদশও এক চাকা নির্ভর। সেই চাকার নাম মুশফিকুর রহিম। ১০৩ বলে করলেন আসরের প্রথম সেঞ্চুরি। তবে তাঁর ১০৩ রানের ইনিংসেও শেষরক্ষা হয়নি নাজমুলের দলের। মুশফিকের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গেই জয় নিশ্চিত হয়ে যায় তামিমদের। ২৬ বল বাকি থাকতে ৪২ রানে জেতে নিজেদের আগের ম্যাচে মাত্র ১০৩ রানে গুটিয়ে যাওয়া দলটি।

এই ম্যাচেও অবস্থা ছিল বেগতিক। ১২৫ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর ৪৪ বলে ফিফটি করা ৯ নম্বর ব্যাটসম্যান মেহেদী তাইজুল ইসলামকে (৪৩ বলে ২০*) নিয়ে নবম উইকেটে ৯৫ রান যোগ করে কিছুটা হলেও আসরের মান রক্ষা করেন। এই আসরে বৃষ্টিতে কয়েক ঘণ্টা খেলা বন্ধ থাকা যেমন নিয়মিত, তেমনি ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতাও অব্যাহত। টানা তৃতীয় ম্যাচেও বৃষ্টির বাধা। এর আগে-পরে দুঃসহ ব্যাটিংয়ের মধ্যে একটু স্বস্তির হাওয়া বইয়ে দিয়েছেন শুধু মেহেদী আর মুশফিকই। সেঞ্চুরি বিফলে গেলেও নাজমুল একাদশের জয়ের আশা তাঁর ব্যাটেই টিকে থেকেছে। মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনকে টানা দুই বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে সেঞ্চুরিতে পৌঁছানো মুশফিক ম্যাচের সেরা বোলার মুস্তাফিজুর রহমানকে স্কুপ করতে গিয়ে ক্যাচ দিতেই জয়ের আশা শেষ। দুর্দান্ত প্রথম স্পেলে প্রতিপক্ষকে কাঁপিয়ে দেওয়া মুস্তাফিজ ৮ ওভার বোলিং করে মাত্র ১৫ রান খরচায় নিয়েছেন ৩ উইকেট। যদিও তামিম একাদশের সফলতম আরেক বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম (৪/৩৭)। নাজমুল একাদশের অবস্থাও তা-ই। সফলতম বোলার পেসার আল-আমিন হোসেন (৩/৪৩) হলেও সেরা অফস্পিনার নাঈম হাসান ৪টি মেডেনসহ ২ উইকেট নিয়েছেন ২৮ রান খরচায়।থমবার্তা, প্রতিবেদক: বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের তৃতীয় ম্যাচে নিজ দলের ব্যাটসম্যানদের আরেকটি ব্যর্থতার দিনে ঝলমল করলেন মেহেদী হাসান। ৯ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় এই তরুণের ৫৭ বলে ৮২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপও প্রথমবারের মতো দেখল ২০০ পার করা ইনিংস। এতে ভর দিয়েই দেড় শর কমে অলআউট হওয়ার শঙ্কায় থাকা বিপক্ষে তামিম ইকবাল একাদশ ৯ উইকেট হারিয়ে তুলল ২২১ রান।

এই রান তাড়ায় নাজমুল হোসেন শান্ত একাদশও এক চাকা নির্ভর। সেই চাকার নাম মুশফিকুর রহিম। ১০৩ বলে করলেন আসরের প্রথম সেঞ্চুরি। তবে তাঁর ১০৩ রানের ইনিংসেও শেষরক্ষা হয়নি নাজমুলের দলের। মুশফিকের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গেই জয় নিশ্চিত হয়ে যায় তামিমদের। ২৬ বল বাকি থাকতে ৪২ রানে জেতে নিজেদের আগের ম্যাচে মাত্র ১০৩ রানে গুটিয়ে যাওয়া দলটি।

এই ম্যাচেও অবস্থা ছিল বেগতিক। ১২৫ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর ৪৪ বলে ফিফটি করা ৯ নম্বর ব্যাটসম্যান মেহেদী তাইজুল ইসলামকে (৪৩ বলে ২০*) নিয়ে নবম উইকেটে ৯৫ রান যোগ করে কিছুটা হলেও আসরের মান রক্ষা করেন। এই আসরে বৃষ্টিতে কয়েক ঘণ্টা খেলা বন্ধ থাকা যেমন নিয়মিত, তেমনি ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতাও অব্যাহত। টানা তৃতীয় ম্যাচেও বৃষ্টির বাধা। এর আগে-পরে দুঃসহ ব্যাটিংয়ের মধ্যে একটু স্বস্তির হাওয়া বইয়ে দিয়েছেন শুধু মেহেদী আর মুশফিকই। সেঞ্চুরি বিফলে গেলেও নাজমুল একাদশের জয়ের আশা তাঁর ব্যাটেই টিকে থেকেছে। মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনকে টানা দুই বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে সেঞ্চুরিতে পৌঁছানো মুশফিক ম্যাচের সেরা বোলার মুস্তাফিজুর রহমানকে স্কুপ করতে গিয়ে ক্যাচ দিতেই জয়ের আশা শেষ। দুর্দান্ত প্রথম স্পেলে প্রতিপক্ষকে কাঁপিয়ে দেওয়া মুস্তাফিজ ৮ ওভার বোলিং করে মাত্র ১৫ রান খরচায় নিয়েছেন ৩ উইকেট।

যদিও তামিম একাদশের সফলতম আরেক বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম (৪/৩৭)। নাজমুল একাদশের অবস্থাও তা-ই। সফলতম বোলার পেসার আল-আমিন হোসেন (৩/৪৩) হলেও সেরা অফস্পিনার নাঈম হাসান ৪টি মেডেনসহ ২ উইকেট নিয়েছেন ২৮ রান খরচায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here