ব্লকচেইন অলিম্পিয়াডে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েই বাংলাদেশের তরুণরা প্রথম ও শ্রেষ্ঠ হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, তরুণদের হাত ধরেই দেশের প্রযুক্তিখাত এগিয়ে যাবে।

আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য, ব্লকচেইন ২০২০ এ অংশ নেওয়া বাংলাদেশের ১২টি দলের সদস্যদের সংবর্ধনা ও সনদপত্র দিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময়ে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, প্রথমবার অংশ নিয়েই বিশ্বের বড় বড় দেশগুলোর প্রতিযোগিদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আমাদের তরুণেরা। ছয়টি ক্যাটাগরির দু’টিতে চ্যাম্পিয়ানসহ চারটি ক্যাটাগরিতে সিলভার মেডেল পায় তারা। তারা প্রমাণ করেছে আমরাই প্রথম ও শ্রেষ্ঠ। আমাদের কাজ হচ্ছে এ তরুণদের উৎসাহ দেওয়া, সাহস দেওয়া। তাহলেই তারা তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি অফিসগুলোতে আমরা লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমিয়ে আনতে কাজ করছি। একটা পেপারলেস অফিস ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা। এমন সময়ে ব্লকচেইনের মতো প্রযুক্তির বিকল্প নেই। এসব নথি চালাচালিতে যে সাইবার নিরাপত্তা দরকার, সেটি নিশ্চিতে ব্লকচেইন দরকার। আমাদের বিসিসি (বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল) এরই মধ্যে ব্লকচেইনের ব্যবহার শুরু করেছে। এর জন্য তারা আন্তর্জাতিক পুরস্কারও পেয়েছে।

দেশের তৃণমূল পর্যায়ে আইসিটি ইন্ডাস্ট্রি ছড়িয়ে দিতে সরকারের পক্ষ থেকে কাজ করা হচ্ছে বলেও জানান পলক।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল, এলআইসিটির প্রকল্প পরিচালক রেজাউল করিম, পলিসি অ্যাডভাইজার সামি আহমেদ, বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কোভিদ, হংকং ব্লকচেইন অলিম্পিয়াডের সভাপতি ড. লরেন্স মাসহ দেশীয় বিদেশি বক্তারা বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড ২০২০ বাংলাদেশ থেকে অংশনামা ১২টি দলের সদস্যদের পাশাপাশির আয়োজক বিচারক এবং মেয়েদেরকে সনদপত্র দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here